সব থেকে সুন্দর আর পরিষ্কার জোচ্ছনা হয় আশ্বিন মাসে। চরাচর ভাসানো জ্যোচ্ছনা।
আজ মায়ের সঙ্গে নেমন্তন্ন খেতে গেছিলাম,খেয়ে দেয়ে গলি-রাস্তা হেঁটে এলাম বাড়িতে।কোন রকমে চাঁদের আলো একটুখানি এসে পড়েছে গলির মধ্যে। দমদমের ঘরবাড়ি গুলো বড় নিষ্ঠুর, চাঁদকে আড়াল করে আকাশ ছুঁয়েছে।ছাতিম ফুলের গন্ধ পেতে গেলে যেতে হবে সেই কদমতলা ব্যাঙ্কের কাছে।
হাঁটতে হাঁটতে কত সব পুরনো কথা মনে পড়ল।আমাদের বারাসাতের বাড়িতে থাকতে প্রতি লক্ষ্মী পুজোতে পাপুদের বাড়িতে আমাদের নেমন্তন্ন হত। আমি , মা , পিসি, পাশের বাড়ির কাকিমা নেমন্তন্ন খেয়ে ফিরতাম। খিচুড়ী, লাবড়া , পায়েস, আলোচাল, কাটা ফলের গন্ধের সাথে মিশে থাকা ধুপ-ধুনো আর গাঁদা ফুলের গন্ধ আমাদের অনেকক্ষণ আসতো পিছু পিছু ।
হঠাৎ করে লোডশেডিং হয়ে গেলে দেখতাম লক্ষ্মীর পা আর ধানের ছড়ার পাশে লুটিয়ে আছে জ্যোচ্ছনা।বাধানো ইঁটের রাস্তা দিয়ে ফিরে আসতাম যখন , খালি মাঠের উপর ঘন হয়ে কুয়াশা নামতো, দুধের মত জোচ্ছনার ঢল, আর আমাদের ছাতিম গাছটা গন্ধ উজাড় করে দিত।
দূর থেকে ভেসে আসা উলু আর শঙ্খ ধ্বনি মনে হত যেন স্বপ্নের এক্সটেনশন। ছাদের পাশের নারকেলগাছের পাতা গুলো রুপোর মত ঝকঝক করত, ডানা ঝাপ্টে উড়ে এসে বসতো মস্ত বড় সাদা লক্ষ্মী পেঁচা।
আর আমি দিব্যি জানতাম , এই জ্যোচ্ছনা জমেই পরী হয়। আমি বাড়িতে নেই,কিন্তু কোজাগরীর আলোয় তৈরী হওয়া পরীটা নিশ্চয়ই খেলে বেড়াচ্ছে আমার প্রিয় ছাদটায়।—
playing কোজাগরী... at অলীক পেন্সিলে...
আজ মায়ের সঙ্গে নেমন্তন্ন খেতে গেছিলাম,খেয়ে দেয়ে গলি-রাস্তা হেঁটে এলাম বাড়িতে।কোন রকমে চাঁদের আলো একটুখানি এসে পড়েছে গলির মধ্যে। দমদমের ঘরবাড়ি গুলো বড় নিষ্ঠুর, চাঁদকে আড়াল করে আকাশ ছুঁয়েছে।ছাতিম ফুলের গন্ধ পেতে গেলে যেতে হবে সেই কদমতলা ব্যাঙ্কের কাছে।
হাঁটতে হাঁটতে কত সব পুরনো কথা মনে পড়ল।আমাদের বারাসাতের বাড়িতে থাকতে প্রতি লক্ষ্মী পুজোতে পাপুদের বাড়িতে আমাদের নেমন্তন্ন হত। আমি , মা , পিসি, পাশের বাড়ির কাকিমা নেমন্তন্ন খেয়ে ফিরতাম। খিচুড়ী, লাবড়া , পায়েস, আলোচাল, কাটা ফলের গন্ধের সাথে মিশে থাকা ধুপ-ধুনো আর গাঁদা ফুলের গন্ধ আমাদের অনেকক্ষণ আসতো পিছু পিছু ।
হঠাৎ করে লোডশেডিং হয়ে গেলে দেখতাম লক্ষ্মীর পা আর ধানের ছড়ার পাশে লুটিয়ে আছে জ্যোচ্ছনা।বাধানো ইঁটের রাস্তা দিয়ে ফিরে আসতাম যখন , খালি মাঠের উপর ঘন হয়ে কুয়াশা নামতো, দুধের মত জোচ্ছনার ঢল, আর আমাদের ছাতিম গাছটা গন্ধ উজাড় করে দিত।
দূর থেকে ভেসে আসা উলু আর শঙ্খ ধ্বনি মনে হত যেন স্বপ্নের এক্সটেনশন। ছাদের পাশের নারকেলগাছের পাতা গুলো রুপোর মত ঝকঝক করত, ডানা ঝাপ্টে উড়ে এসে বসতো মস্ত বড় সাদা লক্ষ্মী পেঁচা।
আর আমি দিব্যি জানতাম , এই জ্যোচ্ছনা জমেই পরী হয়। আমি বাড়িতে নেই,কিন্তু কোজাগরীর আলোয় তৈরী হওয়া পরীটা নিশ্চয়ই খেলে বেড়াচ্ছে আমার প্রিয় ছাদটায়।—
No comments:
Post a Comment